
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যটি সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনায় এসেছে। চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় এক জনসভায় তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকারখানা, বিশেষ করে কেরু অ্যান্ড কোং-সহ বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় সচল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের চিনিকল এবং ভারী শিল্পকারখানাগুলো সচল করলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য এসব কারখানা চালুর ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তার দাবি অনুযায়ী, বিগত সরকারগুলোর ভুল নীতি ও দুর্নীতির কারণে এই লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসানের মুখে পড়েছে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এগুলোকে লাভজনক করার পরিকল্পনা করছে।
কেরু অ্যান্ড কোং বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং বহুমুখী প্রতিষ্ঠান। চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি এর ডিস্টিলারি ইউনিট অত্যন্ত লাভজনক। তিনি মনে করেন, সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে এটি দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারে।
বর্তমান প্রেক্ষাপট
বর্তমানে বাংলাদেশে চিনিকলগুলোর বড় একটি অংশ লোকসানে রয়েছে বা বন্ধ আছে। এই কারখানাগুলো সচল করার জন্য প্রয়োজন:
* আধুনিক যন্ত্রপাতি: পুরনো টেকনোলজি পরিবর্তন করে অটোমেশন আনা।
* কাঁচামাল সরবরাহ: আখ চাষিদের প্রণোদনা দিয়ে আখের সরবরাহ বাড়ানো।
* বাই-প্রোডাক্ট ব্যবহার: চিনি ছাড়াও অন্যান্য উপজাত (যেমন- ইথানল, বিদ্যুৎ) উৎপাদন বাড়ানো।