
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অভিযোগ করেছেন যে, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপাররা (এসপি) বর্তমানে একটি বিশেষ দলকে অনৈতিকভাবে সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছেন। এই পক্ষপাতমূলক আচরণ অব্যাহত থাকলে দলটির পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হবে না বলেও তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ
এক সমাবেশে বক্তব্য দানকালে জামায়াত নেতা বলেন, "আমরা লক্ষ্য করছি, দেশের জেলা ও পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের আজ্ঞাবহ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও যোগ করেন: লেভেল প্লেইং ফিল্ডের অভাব: বিএনপি নেতাকর্মীদের বিশেষ সুযগ৷ বর্তমান অবস্থায় সাধারণ মানুষের মনে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, "প্রশাসন যদি একতরফাভাবে একটি দলকে সুবিধা দিতে থাকে, তবে সেই সাজানো নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেবে না। জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে কাউকে ক্ষমতায় বসানোর প্রক্রিয়ায় আমরা সহযোগী হবো না। পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে আমরা নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হবো।"
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, জামায়াত নেতা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে অবিলম্বে প্রশাসনের রদবদল এবং একটি নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। অন্যথায় রাজপথে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের অঙ্গীকার করেন তিনি।