
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি, এনায়েতপুর ও চৌহালী) আসনে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে বর্তমান সাবেক এমপি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল মমিন মণ্ডলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করতে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলিমের পক্ষে গোপনে কাজ করছেন।
তৃণমূলের অভিযোগ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, মমিন মণ্ডল তার শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গাড়ি ব্যবহার করে বিএনপির প্রার্থী আলিমের জন্য ভোটার সংগ্রহের পরিকল্পনা করছেন। বেলকুচি, এনায়েতপুর ও চৌহালীর ভোটারদের কেন্দ্রে পাঠাতে তিনি তার কোম্পানির পরিবহন সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচনের খরচ বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা খরচ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজের বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য ও কলকারখানা নিরাপদ রাখতেই মমিন মণ্ডল এই ‘সেফ প্যাসেজ’ খুঁজছেন। বিএনপির প্রার্থী আলিমের সাথে তার এই গোপন আঁতাতের খবর ছড়িয়ে পড়ায় সিরাজগঞ্জ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
তৃণমূলের কর্মীরা বলছেন, "দলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এমপি হয়ে এখন নিজের ব্যবসা বাঁচাতে বিরোধী দলের প্রার্থীর সাথে হাত মেলানো বিশ্বাসঘাতকতা।" তারা আরও জানান, নির্বাচনের দিন মমিন মণ্ডলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের গাড়িগুলো কীভাবে ব্যবহৃত হয়, সেদিকে তারা কড়া নজর রাখবেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মমিন মণ্ডল বা বিএনপি প্রার্থী আলিমের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন ভোটাররা। তিনি দলের দূর সময়ে তার আসনের কোন নেতা কর্মীর খোঁজ ও কোন ধরণের সহযোগীতা করছে না এই বিষয়ে দলের নেতা কর্মীদের ভিতরে ক্ষোভ ও জানিয়েছেন।