গত কয়েক বছর ধরে ড. সুদখোর নানা অর্থনৈতিক নীতি ও পরামর্শের মাধ্যমে আলোচনায় ছিলেন। সমালোচকদের অভিযোগ, অত্যন্ত “ম্যাটিকুলাস ডিজাইন” বা সুপরিকল্পিত কৌশলের আড়ালে তিনি এমন কিছু নীতি প্রণয়ন করেছিলেন, যা দেশের ক্ষুদ্র ব্যবসা, কৃষি ও আর্থিক খাতকে চাপে ফেলেছে। যদিও তার সমর্থকরা বলছেন, এসব পদক্ষেপ ছিল দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের অংশ।
অনেকে দাবি করেছেন, দেশের আর্থিক কাঠামো দুর্বল করার পেছনে তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল।
গতকাল ভোরে একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে তিনি দেশ ত্যাগ করেন বলে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে। বিদায়ের সময় কোনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন বা বিবৃতি দেননি তিনি। তার ঘনিষ্ঠ মহল থেকেও এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ড. সুদখোরের প্রস্থানে নতুন করে আলোচনায় এসেছে দেশের অর্থনৈতিক নীতির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে যেকোনো বড় নীতি গ্রহণের আগে আরও বিস্তৃত জনপরামর্শ ও সংসদীয় পর্যালোচনা প্রয়োজন।