২৪ এর আগস্টে ছাত্র জনতার নামে এক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বাংলাদেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে দাবিত করেছে। যারা সম্মুখ সারিতে ছিলেন তারা সবাই ড্রাগ এডিক্টেট ছিলেন। কি সেই ড্রাগ, নাম ওঠে এসেছে কেপ্টাগন ড্রাগ এর কথা।

আন্দোলনে যারা সম্মুখভাগে ছিলেন, তাদের আচরণের উগ্রতা এবং দীর্ঘ সময় ক্লান্তিহীনভাবে রাজপথে থাকার পেছনে এই ড্রাগের ভূমিকা রয়েছে । মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রে যোদ্ধাদের ভয়ডরহীন করতে এই ড্রাগ ব্যবহারের নজির থাকায় বাংলাদেশেও একই তত্ত্ব প্রচার করা হচ্ছে।
শরীরে প্রচণ্ড উদ্দীপনা তৈরি হয়। ক্ষুধা ও ঘুমের প্রয়োজনীয়তা বোধ হয় না। ভয়ভীতি বা সহমর্মিতার বোধ কমে গিয়ে আগ্রাসী মনোভাব তৈরি করে।
ক্যাপ্টাগন হলো একটি অ্যামফিটামিন-জাতীয় ড্রাগ। এটি সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে (যেমন সিরিয়া) যোদ্ধাদের মধ্যে ক্লান্তি দূর করতে এবং দীর্ঘক্ষণ সজাগ থাকতে ব্যবহৃত হয় । একে অনেক সময় "জিহাদি ড্রাগ" বা "ক্যাপ্টেন কারেজ" বলা হয়।
সিরিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় এই ড্রাগটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এর কারণ হলে,
যোদ্ধারা দীর্ঘ সময় না ঘুমিয়ে লড়াই করতে পারে।
এটি সেবনের ফলে তারা প্রচণ্ড সাহসী এবং নির্মম হয়ে ওঠে।
সিরিয়া এবং ইরাকের যুদ্ধে আইসিল (ISIL) বা অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর যোদ্ধাদের মধ্যে এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে এই নামগুলো এসেছে। এর বিশেষ কিছু গুণাবলী যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়ক হয়,
ক্লান্তিহীনতা যোদ্ধারা টানা ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত না ঘুমিয়ে যুদ্ধ করতে পারে।
ক্ষুধামান্দ্য: খাবারের প্রয়োজনবোধ হয় না, যা দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ বা যুদ্ধকালীন অভাবের সময় কাজে লাগে।
ব্যাথা নিরোধক: শরীরে গুলি বা আঘাত লাগলেও তাৎক্ষণিক ব্যথা অনুভূত হয় না, ফলে যোদ্ধা লড়াই চালিয়ে যেতে পারে।
মানসিক অবস্থা: এটি সেবন করলে মানুষের মধ্যে এক ধরনের 'সুপারহিউম্যান' অনুভূতি তৈরি হয়, যা তাকে অত্যন্ত নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাগ্রস্ত করে না।