
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দৈনিক 'কালের কণ্ঠ' সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বেশ কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সরকারের ভাবমূর্তি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। বিশেষ করে আসিফ মাহমুদ, আসিফ নজরুল ও রেজওয়ানা চৌধুরীর মতো ব্যক্তিদের নিয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলো দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
মব কালচার ও গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণ
অভিযোগ উঠেছে যে, সত্য প্রকাশের দায়ে একটি বিশেষ গোষ্ঠী কালের কণ্ঠের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে পত্রিকাটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি বাকস্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। সমালোচকদের মতে, এটি অন্য মিডিয়া হাউজগুলোকে ভয় দেখানোর একটি কৌশল, যেন কেউ সরকারের সমালোচনা করার সাহস না পায়।
এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ ও পাঠকদের পক্ষ থেকে কালের কণ্ঠকে সমর্থনের জোয়ার শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই আহ্বান জানাচ্ছেন: সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা: যেকোনো মূল্যে গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরার অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে।
সাপোর্ট ও ফেভারিট: কালের কণ্ঠের সাহসী সাংবাদিকতাকে সাধুবাদ জানিয়ে পত্রিকাটিকে পাঠকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রাখা। মব জাস্টিস প্রতিহত করা: তথাকথিত 'মব' তৈরি করে কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ বা হুমকি দেওয়ার সংস্কৃতিকে সম্মিলিতভাবে বয়কট করা।
"গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হলো সংবাদমাধ্যম। যদি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে সংবাদ যাওয়ায় সংবাদপত্রকে আক্রমণ করে, তবে তা পুরো জাতির জন্য অশনিসংকেত।"