
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে মোসাদ্দেক নামের এক শিক্ষার্থীর ওপর নৃশংস হামলা এবং সেই ঘটনার জেরে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি দেশের সামগ্রিক অস্থিরতার একটি বহিঃপ্রকাশ। বর্তমানে দেশ এক গভীর ও ভয়াবহ হুমকির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। একদিকে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির নীল নকশা, অন্যদিকে আমেরিকা থেকে বোয়িং বিমান কেনার বিশাল অংকের বাণিজ্যিক চুক্তিতে 'তথ্য লুকানো—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে চরম সংকটে ঠেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ক্যাম্পাসে হামলা পরিকল্পিত: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মোসাদ্দেকের ওপর হামলার ঘটনাটি সচেতন মহলে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি, ক্যাম্পাসের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার জন্য একটি অদৃশ্য শক্তি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জামাত-বিএনপিসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে এই অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। তাদের মূল লক্ষ্য—শিক্ষাঙ্গনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের জনগনের মসমাসকিতা অন্য দিকে দাবিত করা।
আমেরকিার থেকে বোয়িং ক্রয় চক্রান্ত: আমেরিকা থেকে বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তোলপাড় চলছে।
ইউনূস গংরা অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এই বিশাল আর্থিক চুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে, যা দেশের স্বার্থবিরোধী । জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে উপেক্ষা করে এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন অনেকে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক নীতি—প্রতিটি ক্ষেত্রেই অস্থিতিশীলতা তৈরির প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যখনই দেশে বড় কোনো বাণিজ্যিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তখনই একটি নির্দিষ্ট চক্র পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করতে তৎপর হয়ে ওঠে।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছে:
এই চরম সংকটময় মুহূর্তে দেশের অখণ্ডতা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করাই এখন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ষড়যন্ত্রের আড়ালে দেশের অর্থনীতি ও শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করার এই অপচেষ্টা রুখে দিতে এখন জাতীয় ঐকমত্যের বিকল্প নেই।