সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : 5 January 2026 , 9:56:43 প্রিন্ট সংস্করণ
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সৎকার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সনাতনী জামায়াত হিন্দু উল্লাপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি বাবলু ভৌমিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন সনাতনী সম্প্রদায়ের লোকজন। মরদেহটি উল্লাপাড়া ঝিকিড়া গ্রামের গনেষ বনিক এর স্ত্রীর মিনা বনিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করতে গেলে ঘোষগাঁতী গ্রামের বাবলু ভৌমিক সৎকারে বাধা দেন। এতে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে সৎকার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে ক্ষুব্ধ সনাতনী সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান ও নিরাপদ সৎকারের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন করে পরিকল্পিতভাবে সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযুক্ত উপজেলা সনাতনী হিন্দু শাখার সভাপতি বালবু ভোমিক এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, গতকাল রাতে ঝিকিড়া মহল্লার একজন মারা যান। রাতে তারা মহদেহটি উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে সৎকার করা হবে বলে মাইকিং করেন এবং আমাকে ফোন দিয়ে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি চান। কিন্তু আমার কাছে উল্লাপাড়া মহাশ্মশানের চাবি নাই মর্মে জানিয়ে দেই।
এ বিষয়ে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম আরফি বলেন, আজ সকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক বৃদ্ধা মারা যান। পরে নিহতের পরিবার মহাশ্মশানের চাবি চাইলে বাবলু ভৌমিক চাবি না দিয়ে তাদের পাঠিয়ে দেন। পরবর্তী সময়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলে চাবি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার কথা জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ৫ আগস্টের আগে উল্লাপাড়া মহাশ্মশান নামে নামকরন ছিলো। বর্তমানে সেটি ঘোঁষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান নামে নামকরণ করা হয়েছে। আর এ নিয়েই হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।










