সারাদেশ

রাজনীতির নতুন সমীকরণ মাহমুদুর রহমানের ‘আমার দেশ’ ও ভিনদেশি গোয়েন্দা সংস্থার ছায়া, হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র—সরকার কি নীরব থাকবে?

  অনুসন্ধান প্রতিবেদন : 10 April 2026 , 10:54:22 প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরার পর থেকেই আলোচনায় ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তবে সাম্প্রতিক কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণে তার ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরি এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর সাথে এক গোপন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

গোপন আঁতাতের অভিযোগ: নেপথ্যে কী: বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে, তুরস্কে অবস্থানকালীন সময়েই মাহমুদুর রহমানের সাথে পাকিস্তানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের একাধিক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু নিরাপত্তা বিশ্লেষকের মতে, দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন পরিস্থিতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগকারীরা বলছেন, ‘আমার দেশ’ পত্রিকাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক উসকানি ছড়িয়ে দেশ ধ্বংসের এক দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা হয়েছে।
অনুসন্ধানের মূল:
বিদেশি অর্থায়ন: ‘আমার দেশ’ পত্রিকা পুনরায় চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় বিশাল অংকের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। সন্দেহ করা হচ্ছে, এই অর্থের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য ও পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে।
উসকানিমূলক প্রচারণা: ফিরে আসার পর থেকেই মাহমুদুর রহমানের বিভিন্ন বক্তব্য এবং পত্রিকার সম্পাদকীয় নীতিতে উগ্রপন্থী মনোভাব ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক অবনতির স্পষ্ট উসকানি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আইএসআই যোগসূত্র: গোয়েন্দা সার্কেলে আলোচনা রয়েছে যে, পাকিস্তানের সাথে সম্পাদিত এই গোপন চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের কৌশলগত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভাঙন ধরানো এবং দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা।
যদিও মাহমুদুর রহমানের সমর্থকরা এই অভিযোগগুলোকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘ভারতীয় প্রোপ্রাগান্ডা’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন, তবে অনুসন্ধানী মহলের দাবি—সুযোগ পেলেই মাহমুদুর রহমান তার পুরোনো ‘উগ্র’ রূপে আবির্ভূত হচ্ছেন। সমালোচকরা বলছেন, বাকস্বাধীনতার আড়ালে তিনি আসলে একটি বিশেষ বিদেশি শক্তির প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়ন করছেন।
বিপজ্জনক আগামীর ইঙ্গিত:  বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি এই গোপন চুক্তির অভিযোগ সত্য হয়, তবে তা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। একটি সংবাদপত্র যখন কোনো বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার মুখপত্র হিসেবে কাজ করে, তখন তা আর সাংবাদিকতা থাকে না, বরং তা ‘ইনফরমেশন ওয়ারফেয়ার’ বা তথ্য যুদ্ধে পরিণত হয়।
দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করে, মাহমুদুর রহমানের সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও তার বিদেশি সংযোগের বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত এখন সময়ের দাবি।

আরও খবর

Sponsered content

আরও খবর: সারাদেশ

রাজনীতির নতুন সমীকরণ মাহমুদুর রহমানের ‘আমার দেশ’ ও ভিনদেশি গোয়েন্দা সংস্থার ছায়া, হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র—সরকার কি নীরব থাকবে?

 এনসিপি নেত্রী রাফিয়া আ’ত্মহত্যা করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের বিচার না করার আগে না ফেরার দেশে চলে গেলেন

কুমিল্লা জেলা এনসিপি’র সমন্বয়ক সাথী বিডিও ভাইরাল

হরমুজ প্রণালীতে আটকে গেছে বাংলাদেশের ভাগ্য – যা মিডিয়া গোপন করেছে!

অন্যের দয়ায় রাজনীতি করার দিন শেষ, পকিন্নির মতো ভিক্ষা ছাড়েন”: জুলাই আন্দোলনকারীদের ‘জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে মির্জা আব্বাসের হুঁশিয়ারি

কুমিল্লার চান্দিনায় সাংবাদিকদেরকে হ্যান্ডকাপ পড়ানো  এসিল্যান্ডকে  সিলেটে পদোন্নতি দিয়ে বদলে