জাতীয়

বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ-বিশ্ব নেতৃবৃন্দ

  মোঃ আতাউর রহমান: 30 January 2026 , 6:39:22 প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবী আজ স্পষ্ট ভাবেই দুটি ভাগে বিভক্ত শোষক আর শোশিত। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বর্তমানে সৎ সাহসী মানবিক দরদী জ্ঞানী দূরদর্শী সম্পন্ন বিশ্বমানের নেতার এখন বড়ই অভাব। পৃথিবীর আজ ৯০% সম্পদ, ক্ষমতা মাত্র ১০% মানুষের হাতে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। অপরদিকে যাদের প্রতিনিয়ত কঠোর শ্রম, সাধনা, কষ্টের বিনিময়ে আজকের এই আধুনিক পৃথিবী সেই ৯০% মানুষ, ওদের কাছে জিম্মি তাবেদার বনে গেছে। প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার এক মহাযুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয় এমনটি মোটেই প্রত্যাশিত ছিল না। এক দিকে বিশ্ব মোড়ল গোষ্ঠী আমাদের কাছ থেকে শান্তির নামে চাঁদা তুলে কোটি কোটি বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ঢাক ঢোল বাজিেয় সুনীতির জন্য বলছে, বলছে মানবতার, সভ্যতার সর্বোচ্চ কথা। অন্যদিকে সভ্যতার অন্তরালে চরমভাবে লোভ পাচ্ছে ন্যায়-নীতির মানসিকতা, যেন হীনস্বার্থের কাছে সব মানবতা তুচ্ছ! পৃথিবীর মাত্র ১০% সর্বোচ্চ সুবিধাভোগীদের কারণে দেশ এবং দেশের বাইরে ভয়ংকর রাজনৈতিক দ্বন্দ, অর্থনৈতিক দ্বন্দ, দলে দলে, গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে, জাতিতে জাতিতে, ধর্মে ধর্মে দ্বন্দ, পরদেশ লোভী দ্বন্দ, অসমশক্তির দ্বন্দ, আধিপত্য বিস্তারে দ্বন্দ, মানবাধিকারের দ্বন্দ, আইনের দ্বন্দ,স্বার্থের চরমদ্বন্দ, ভয়াবহ ভাবে অতি দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে ব্যক্তি থেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। বিশ্ব মোড়ল গোষ্ঠীরা নিজেদের হীন স্বার্থের কারণে শান্তি প্রিয় দূর্বল মানুষদের পুঁজি করে আজ বহুভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে, বীরোচিত বাংলাদেশও এই আন্তর্জাতিক কু-ষড়যন্ত্র থেকে বাদ পড়েনি। হায়নাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশের এজেন্ট বিশ্বাসঘাতক মাস্টারমাইন্ড খুনি জিয়া মুস্তাক গং বাহিনী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নং বাড়িতে স্বাধীনতার মুর্ত প্রতীক, বাংলাদেশের অপর নাম  বঙ্গবন্ধু সহ পরিবারের ১৭ জনকে কাপুরুষোচিতো নিষ্ঠুর ভাবে ক্ষমাহীন এক হৃদয় বিদারক হত্যাযোজ্ঞ সংঘঠিত করেনি, বিশ্বাসঘাতক মাস্টারমাইন্ড খুনি জিয়া মুস্তাক গং বাহিনী হত্যা করেছিলো নব্যা স্বাধীনতাকে, হত্যা করেছিলো বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে, হত্যা করেছিলো গণতন্ত্রকে, হত্যা করেছিলো ভোটের অধিকারকে, হত্য্ াকরেছিলো সংবিধানকে, হত্যা করেছিলো মানবাধিকারকে, হত্যা করেছিলো মুক্তবাক স্বাধীনতাকে, হত্যা করেছিলো সুনীতিকে স্থায়ীভাবে রুপ দিয়েছিলো একনায়কতন্ত্রকে, দূর্নীতিকে,  রাজাকার আল বদরদের পবিত্র সংসদে আসন দিয়েছে, গাড়িতে বাড়িতে স্বাধীনতার পতাকা তুলে দিয়ে চরমভাবে জাতিকে শুধু অপমানই করেনি সেই সাথে বুঝিয়ে দিয়েছিলো জিয়া মুস্তাক গং বাহিনী চরম বিশ্বাসঘাতক, ক্ষমতা পিপাপু, পূর্ণ মাত্রায় পাকিস্তান পন্থী। তারা এ দেশকে স্থায়ীভাবে ব্রিটিশ কলোনী, পাকিস্তান কলোনী তৈরী করতে চেয়েছিলো। আন্তর্জাতিক শোষক গোষ্ঠীরা গংদের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা, সমর্থন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলো এবং খুনি জিয়া মোস্তাক গং দের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে, সাত কোটি জনতা শোসক শাসক গোষ্ঠীদের শোষণের হাতিয়ার হয়। দেশের চেইন অব কমান্ড পূর্ণ মাত্রায় ভেঙ্গে ফেলেছিল। নব্য স্বাধীন দেশটি আবারো পরাধীনতার শৃঙ্খলে এক অজানা পথ চলা শুরু হয় এই গং দের নিয়ন্ত্রণে।

বাংলার শান্তি প্রিয় মানুষ যখন দিশেহারা, দিকহারা, নেতৃত্ব হারা ঠিক তখনই সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া বাংলার দুই আর্শীবাদ আলোকিত নক্ষত্র যাকে আলো দেবে সেই আলোকিত হবে। সেই সানলাইট বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা, বঙ্গকন্যা শেখ রেহেনা বঙ্গপিতার দেখানো পথ ধরেই জাতি মুক্তির মহাকল্যাণে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় ১৯৮১ সালের ১৭ই মে। বঙ্গকন্যা ধরেই নিয়েছিলেন তিনি দেশে ফিরে আসলে খুনি জিয়া কর্তৃক হত্যা হতে পারেন। বিমান বন্দর থেকে ধানমন্ডী ৩২ নং পর্যন্ত কেবল নয় রুপসা থেকে পাটুরিয়া, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া কোটি কোটি নেতাকর্মী, সমর্থক, শান্তি প্রিয় বীর জনতার ঢল নেমেছিলো, ছিলো উপচে পড়া ভিড়। বঙ্গকন্যা বুঝে নিয়েছিলেন ৮ কোটি জনতার মধ্যে নতুন ভাবে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, আশা স্বপ্ন ফিরে এসেছে এবং সব বাঁধা উপেক্ষা করে সোনার বাংলা গড়ার শপথ নিয়েই  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কান্ডারী হিসাবে হাল ধরেন। বঙ্গকন্যার রক্তের প্রতিটি কনায়, হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে, নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে রাজনীতি প্রবাহিত, চড়াই-উৎরায় পেরিয়ে সোনা যেমন বারবার পুড়িয়ে খাঁটি করতে হয়, ইস্পাত যেমন পুড়িয়ে কঠিন করতে হয় অনুরূপ রাজনীতির যুদ্ধে ২১ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে ২১টি বছর রাজপথে আন্দোলন, সংগ্রাম, জেল-জুলুম হুলিয়ায় বহুবার পুড়ে আজকের বিশ্ব রাজনীতির এক খাঁটি সোনার নাম বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা যার অপর নাম আইরন লেডি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড পলিটিসিয়ান। কেউ কল্পনাও করিনি, জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ২৮ বছর এক টানা আন্দোলন সংগ্রাম করে। এর মধ্যে কঠিন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বীর জনতার ভালবাসায় প্রথম ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে। সফল রাষ্ট্র পরিচালনার মধ্যে দিয়ে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ম্যাসেজ দিলেন বঙ্গপিতার দেখানো পথেই বঙ্গকন্যা পথ চলবে এবং বাংলাদেশ যাবে দুর থেকে বহুদূরে। শুরু হলো বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথের রাজনৈতিক দর্শন, কর্মনীতি, রাষ্ট্রনীতি অনুস্মরণে সোনার বাংলা গড়ার নতুন অধ্যায়ের শুভযাত্রা ।
পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু খুনি জিয়া মুস্তাক গংদের ষড়যন্ত্র আরও বেগবান করে জাতীয় আন্তর্জাতিক লবিং শক্তিশালী করে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রাখলো, যা বর্তমানে আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ১৯৯৬ সালে সফল সরকার পরিচালনার মধ্যে দিয়ে ২০০১ সালে গ্রহণযোগ্য ভোটের আয়োজন করে, যা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভুয়সী প্রশংসিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে পথ চলবে ঐ ১০% ক্ষমতাশালী সুবিধা ভোগী গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু খুনী জিয়া মোস্তাক গং বাহিনীর মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে আবারো বিএনপি জামায়াতের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয় (২০০১-২০০৬)। পৃথিবীর সবচেয়ে নোবেল প্রফেশন এবং কঠিন সেবার মাধ্যম যে রাজনীতি ছিলো সভ্যতা, মানবতা, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মুক্ত বাক স্বাধীনতা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার। আবারো রাষ্ট্র ক্ষমতা বিএনপি জামায়াতের হাতে চলে যাওয়ায় সেই রাজনীতি একেবারে উল্টো ধারায় প্রতিহিংসা, আধিপত্য, সাম্প্রাদিয়কতা, নীতিহীন, শোষণ, জিয়ার মানি ইজ নো প্রবলেম ভয়ংকর এই থিউরিটি স্বৈরাচার এরশাদ-খালেদা অবাধ অনুস্মরণে দুর্নীতিপূর্ণ বাণিজ্যিক রাজনীতি স্থায়ী রুপ লাভ করে। যার ফলে শুরু হয় অসম শক্তির প্রতিযোগিতা, শ্রেণী বৈষম্য, বিট্রিশ অনুশাস থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি, ধনী-গরিব বিদ্দেশ, সন্ত্রাস হত্যা, জঙ্গিবাদ, ধর্মব্যবসা, অস্ত্র ব্যবসা, মাদক ব্যবসা, মাফিয়াচক্র, খুন গুম, ভয়ঙ্কর দূর্নীতির সিন্ডিকেট, অপরাধ চক্র, উশৃংখল বিলাসী অপচয়, দারিদ্রতা, নিষ্ঠুর শিশুশ্রম, বর্বর অমানবিক নারী ও শিশু নির্যাতন, অসম বৈষম্য পাপাচারের অহংবোধের মাত্রা সীমাহীন, অপসংস্কৃতি সহ জঘন্যতম অপরাধ যেন স্থায়ী রূপ লাভ করেছে । যেন হীন স্বার্থের কাছে সব মানবতা, তুচ্ছ, মূল্যহীন। জনগণের আকুণ্ঠ সমর্থন, ভালবাসা, দোয়ায় আবারও ২০০৯ সালে, ২০১৪ সালে, ২০১৮ সালে পরপর হ্যাট্ট্রিক  বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশের রেকর্ড চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্ময়কর নেতৃত্ব গুণাবলীর প্রমাণ করেন । বিস্ময়কর মেধা সম্পন্ন, পরিকল্পিত ভবিষ্যৎ দূরদৃষ্টি সম্পন্ন, মহাপরিকল্পনাবিদ হিসেবে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নকে আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলতে পদ্মা সেতুর মত আন্তর্জাতিক মানের দশটি মেগা প্রকল্প এবং ২০০ টি জাতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন বাস্তবায়ন করে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ এখন অনন্য মর্যাদায়। আধুনিক উন্নয়নের এক রোল মডেলের দেশ বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক চৌকস কর্মদক্ষতা, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, পলিসিমেকর হিসাবে বাংলাদেশকে বিগত দিনের সকল কলঙ্ক কালিমা পেছনে ফেলে সত্যিকারের বীরোচিত জাতি হিসাবে বিশ্ব মানচিত্রে আবারো প্রমাণ করলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা । তিনি আজ বিশ্ব নন্দিত তাঁরকা রাজনীতিবিদ পৃথিবীর ইতিহাসে এমন দৃষ্টান্ত খুবই বিরল । পিতা দিয়েছেন স্বাধীন সার্বভৌম দেশ আর কন্যা দিয়েছেন বিশ্বমানের আধুনিক বাংলাদেশ। বিশ্বমানের একজন সুপারস্টার রাজনীতিবিদ হওয়া, কথাটা যতটা সহজে বলা এবং লেখা গেলো, বাস্তবতা এর একদমই বিপরীত, কঠিন থেকে কঠিন এক চ্যালেঞ্জিং অধ্যায়। যেখানে প্রিয় জীবন শতভাগ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত রাখতে হয়। একদিকে যেমন নিরাপদ মানবিক আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে চলেছেন অন্যদিকে পৃথিবীর ৮শত কোটি মানুষের জন্য একটি সভ্য, নিরাপদ, মানবিক, শান্তির পৃথিবী গড়েতে সমান পরিশ্রম আর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। সমৃদ্ধ দেশগুলোর জন্য আরও সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়া, দেশ পরিচালনা করা খুব একটা কঠিন নয় কিন্তু একটি জনবহুল ক্ষুদ্র দুর্নীতিগ্রস্ত অকার্যকর দেশকে হাজারো জাতীয় আন্তর্জাতিক সমস্যায় জর্জারিত, প্রতিবাদ প্রতিরোধ মোকাবেলা করে একেবারে ভঙ্গুর অবস্থান থেকে দেশকে বিশ্বমানের কাতারে নিয়ে যাওয়া, সমৃদ্ধ করা অনেক কঠিন থেকে কঠিন চ্যালেঞ্জিং একটি অধ্যায় । সেই অসম্ভব, অসাধ্য কাজটি করে দেখিয়েছেন বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। একটি রাষ্ট্রকে এককভাবে, একক নেতৃত্বে মাত্র ১৫ বছরের ধারাবাহিক রাষ্ট্র পরিচালনার মধ্য দিয়ে বিস্ময়কর ম্যাজিক কৌশলে এক নাম্বার দূর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রকে ১৬তে নামিয়ে এনে আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতের জন্য দিতে চলেছেন ২০৩০ সালের মধ্য আয়ের দেশ, ২০৪১ সালের উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ, ভবিষ্যৎ মহাপরিকল্পনা ডেল্টা প্লান ২১০০, বদ্বীপ পরিকল্পনা এবং দেশের সর্বশেষ উন্নয়ন সূত্র এ.জি.ডি. প্লান (অটো জেনারেশন ডেভেলপমেন্ট) স্বয়ংক্রিয় প্রজন্ম উন্নয়ন কৌশল। যা ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ এক অনন্য মর্যাদায় স্থান করে নিয়েছে, হয়েছে ভূয়সী প্রশংসিত। এমন সফলতার একমাত্র দাবীদার এ দেশের মহাজন কান্ট্রি ডোনার, শান্তি প্রিয় বীর জনতা এবং আধুনিক উন্নয়নের রূপকার, উন্নয়নের সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা। জননেত্রী শেখ হাসিনা বহুগুণের অধিকারী তিনি আজ বাংলাদেশের অহংকার, অলংকার। তিনি বর্তমান জাতিসংঘ মনোনীত বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বের সততায় তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে নারী সরকার প্রধান, বিশ্ব মুসলিম জাহানের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী নেতৃত্ব, মাদার অব হিউম্যানিটি, বিশ্বের সেরা নন্দিত চৌকস ১০ জন সেরা তাঁরকা রাজনীতিবিদদের অন্যতম। বিশ্বের মোড়লরা মনে করছেন বিশ্বের প্রথম কোনো নারী হিসেবে জাতিসংঘ মিশনের প্রথম নারী মহাসচিব হতে পারেন বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা। বিশ্ব আধুনিক নারী জাগরণের অগ্রদূত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য প্রায় ৫০টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও খেতাব বা ডিগ্রী অর্জন করেছেন যা বাংলাদেশের জন্য বিশ্বের রাজনীতির জন্য একটি বিশ্ব রেকর্ড। বঙ্গকন্যা বহুগুণের অধিকারী তার প্রতিটি গুণের মহত্ব বাস্তবিক প্রমাণ করতে হয়েছে। যার ফলে বিশ্বের প্রথম সারির সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রগুলোর নেতৃবৃন্দ, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রদূত আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরাম বিশেষ করে পৃথিবীর পরাশক্তি রাশিয়া, চীন, জার্মান, ব্রিটেন, ফ্রান্স, আমেরিকা ছাড়াও সৌদি আরব, আবুধাবি, কাতার, ইরান, জাপান, কানাডা, ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা, ভিয়েতনাম, কিউবা, পাকিস্তান সহ প্রভাবশালী ক্ষমতাশালী দেশগুলি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিশেষ সংস্থাগুলো নেতৃত্বের সবকটি সূচকের গুণাবলীর মাপকাঠিতে বেস্ট অফ বেস্ট আয়রন লেডি অফ দা ওয়ার্ল্ড পলিটিশিয়ান, আন্তর্জাতিক সুপারস্টার তাঁরকা রাজনীতিবিদ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। ব্রিটিশ বিখ্যাত গণমাধ্যম দ্যা টাইমস ম্যাগাজিনে প্রচ্ছদে লিড করেছে শেখ হাসিনা একজন বিস্ময়কর রাজনীতিবিদ। ভয়েস অব আমেরিকা, বিবিসি, ইন্ডিয়ান গনমাধ্যম বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার ভুয়সী প্রসংশিত হয়। তেমনি দেশের সুনামধন্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় গনমাধ্যম ৭১ টিভি, সময় টিভি, যমুনা টেলিভিশন, চ্যানেল আই, ৫২টিভি, বিটিভি, জিটিভি, এশিয়ান টিভি, দৈনিক জনকন্ঠ, দৈনিক সকালের সময়, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন, দৈনিক কালের কন্ঠ, দৈনিক কালবেলা, দৈনিক আইন বার্তা, দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক একুশের বানী, দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক যুগান্তর, সহ জনপ্রিয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গনমাধ্যমে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা সহ এই সরকারের ধারাবাহিকতা উন্নয়নের খবর প্রচার ও প্রকাশিত হয় এবং বিশ্ব ব্যাপী ভূয়শি প্রসংশিত হয়। তেমনি গনমাধ্যম গুলির জরিপ রিপোর্টে বিজয়ের সম্ভাবনা ৭০ ভাগ উঠে এসেছে। প্রথম শ্রেণির দেশ গুলো ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে যদি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই উন্নয়ন ধারা অব্যহত থাকে আগামী ৫ বছর পর্যন্ত তবে অবশ্যই আগামী ভবিষ্যৎ ২০৪১ সালের বিশ্বে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৫ তম সমৃদ্ধ দেশের একটি। তাই এখন থেকেই দৌড় ঝাপ শুরু হয়ে গেছে কিভাবে দেশে অবস্থান দৃঢ় এবং স্থায়ী সুযোগ করে নেওয়া যায়। বাংলাদেশের এই অভাবনীয় বিস্ময়কর সফল বর্তমান উন্নয়নের ১৫ বছরকে টার্নিং পয়েন্ট উল্লেখ করে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বের গুণাবলীর ভুয়সী প্রশংসা করে। বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে কেনো শেখ হাসিনা বিশ্ব তাঁরকা রাজনীতিবিদদের অন্যতম সেরা। বাংলাদেশ সহ গোটা বিশ্বকে স্বপ্ন দেখিয়েছে কিভাবে স্বপ্ন দেখতে হয়, স্বপ্ন দেখাতে হয় আর কিভাবে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হয়। সার্বিক বিষয় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বিচার বিশ্লেষণ করেই একটি নিরাপদ, মানবিক, সভ্য, শান্তি প্রিয় দেশ এবং বিশ্ব গড়ার জীবন বাজি রাখা অন্যতম অগ্রদূত, অগ্রনায়ক, সুদক্ষ কারিগর বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনাই বাংলাদেশ এবং বিশ্বের জন্য নিরাপদ। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ বিশ্বের নেতৃত্ব দিক এটাই চাই বিশ্বের শান্তি প্রিয় বেশিরভাগ দেশ গুলি, বিশ্ব সংস্থা গুলো, জাতীয়, আন্তর্জাতিক গনমাধ্যম গুলি। আশা রাখি আগামী ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে বাংলাদেশ স্বাধীনতাত্তর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ কোন পথে যাবে স্থায়ী সমৃদ্ধি অর্জনের পথে, নাকি টেকব্যাক বাংলাদেশ? এই নির্বাচনে সকল বাধা বিপত্তি পেরিয়ে পরপর চারবার এবং ৫বারের মতো রেকর্ড বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ববন্ধু, বঙ্গবন্ধুর অপূূর্ণ স্বপ্ন পূরণে বাঙালি জাতির মহা কল্যানে এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করবেন বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা।

আরও খবর

Sponsered content