সারাদেশ

“লোটাস কামালের ক্যাডার থেকে বৈষম্যবিরোধী সমন্বয়ক: কুমিল্লার সাংবাদিক দেলোয়ারের ‘মীরজাফর’ মিশন ফাঁস!” ভয়ংকর প্রতারণার জাল ছিঁড়ে দিল অনুসন্ধানী টিম”

  নিজস্ব প্রতিবেদক: 7 March 2026 , 5:32:08 প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লা সাংবাদিকতার লেবাস পরে কুমিল্লার স্থানীয় রাজনীতিতে অস্থিরতা তৈরি, মামলা বাণিজ্য এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে জনৈক দেলোয়ারের বিরুদ্ধে। নিজেকে ‘হাজী’ পরিচয় দিলেও তার কর্মকাণ্ডে আদর্শিক কোনো প্রতিফলন নেই বলে এলাকায় গুঞ্জন উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের (লোটাস কামাল) ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত এই দেলোয়ার বর্তমানে ভোল পাল্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম ভাঙিয়ে স্বার্থ হাসিল করছেন।

৫ই আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের  দেলোয়ার অত্যন্ত সুকৌশলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সাথে মিশে যান। অভিযোগ উঠেছে, তিনি কুমিল্লা সদর  দক্ষিণ থানায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী, বিশেষ করে ছাত্রলীগ ও যুবলীগদের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য সমন্বয়কদের সাথে আঁতাত করছেন। নিজের ব্যক্তিগত রেষ মেটাতে তিনি অনেকের নাম-ঠিকানা মামলার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অনবরত চাপ প্রয়োগ করছেন। এই ‘মামলা বাণিজ্য’ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তিনি বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

দেলোয়ারের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, তিনি একসময় আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মিশে থাকলেও গোপনে অন্য রাজনৈতিক সংগঠনের (জামাত) নিকট তথ্য পাচার করতেন। তাকে সংশ্লিষ্ট মহলের একটি ‘স্লিপার সেল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
  তার এই দ্বিমুখী আচরণের কারণে তাকে স্থানীয় পর্যায়ে ‘মীরজাফর’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

দেলোয়ারের এই অপকর্মের সাথে তার একটি নিজস্ব চক্র সক্রিয় রয়েছে। যার মধ্যে মাজহারুল ইসলাম বাপ্পি এবং মামুনের নাম উঠে এসেছে। অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, মামুন নামের ওই ব্যক্তির একটি প্রাইভেটকার রয়েছে যা মূলত মাদক সরবরাহ এবং অবৈধ অস্ত্র বিক্রির কাজে ব্যবহৃত হয়। এই চক্রটি সাংবাদিকতার পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার চেষ্টা করছে।

বর্তমানে তিনি এসডি নিউজ (অনিন্ধিত), রূপসী বাংলা এবং যুগান্তরের মতো স্বনামধন্য গণমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে নিজের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই ব্যক্তি যেন কোনোভাবেই দেশত্যাগ করতে না পারেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাৎ, মামলা বাণিজ্য এবং অবৈধ ব্যবসার অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
অভিযুক্তের যোগাযোগ নম্বর: +880 1913-589424
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেলোয়ারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোনটা রিসিভ করেননি৷

আরও খবর

Sponsered content